Dhaka 11:17 am, Friday, 17 April 2026

সৌদি রাষ্ট্রদূতের অভিযোগে বাংলাদেশী অভিনেত্রী কারাগারে, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশেষ ক্ষমতা আইনে মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলমকে ৩০ দিনের জন্য আটকাদেশ দিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সূত্র জানায়, সদ্য বিদায় নেওয়া সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের একটি অনানুষ্ঠানিক অভিযোগের ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তার ঘটে। রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেন, মেঘনা তার সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করেছেন এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুলিশকে খতিয়ে দেখতে বলে, এবং তদন্তে মেঘনার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

ডিএমপি দাবি করেছে, তাকে ‘নিরাপত্তা হেফাজতে’ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে এমন গুজব ছড়ানোর প্রেক্ষিতে ডিএমপি জানায়, মেঘনা আলমকে অপহরণের অভিযোগ সঠিক নয়, আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে।

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে মেঘনা আলম ফেসবুক লাইভে এসে জানান, পুলিশ পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি তার বাসায় ঢোকার চেষ্টা করছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং সরাসরি সৌদি রাষ্ট্রদূতের নাম উল্লেখ করেন। তবে লাইভটি মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে ভিডিওটি ফেসবুকে আর দেখা যায়নি।

এ ঘটনায় তার সহযোগী দেওয়ান সামিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।

এখন মেঘনা আলম কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তাধীন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় কেডিএস-এর ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী শোভাযাত্রা

সৌদি রাষ্ট্রদূতের অভিযোগে বাংলাদেশী অভিনেত্রী কারাগারে, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশঃ 07:32:58 am, Saturday, 12 April 2025

বিশেষ ক্ষমতা আইনে মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলমকে ৩০ দিনের জন্য আটকাদেশ দিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সূত্র জানায়, সদ্য বিদায় নেওয়া সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলানের একটি অনানুষ্ঠানিক অভিযোগের ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তার ঘটে। রাষ্ট্রদূত অভিযোগ করেন, মেঘনা তার সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করেছেন এবং আর্থিক সুবিধা নেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুলিশকে খতিয়ে দেখতে বলে, এবং তদন্তে মেঘনার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়।

ডিএমপি দাবি করেছে, তাকে ‘নিরাপত্তা হেফাজতে’ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে এমন গুজব ছড়ানোর প্রেক্ষিতে ডিএমপি জানায়, মেঘনা আলমকে অপহরণের অভিযোগ সঠিক নয়, আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে।

অন্যদিকে, আটক হওয়ার আগে মেঘনা আলম ফেসবুক লাইভে এসে জানান, পুলিশ পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি তার বাসায় ঢোকার চেষ্টা করছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং সরাসরি সৌদি রাষ্ট্রদূতের নাম উল্লেখ করেন। তবে লাইভটি মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে ভিডিওটি ফেসবুকে আর দেখা যায়নি।

এ ঘটনায় তার সহযোগী দেওয়ান সামিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।

এখন মেঘনা আলম কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তাধীন।