ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি ও তার তৃতীয় স্বামী রোশান সিংয়ের দাম্পত্য জীবনের চূড়ান্ত ইতি টানল আদালত। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর ৮ এপ্রিল তাদের আইনি বিচ্ছেদে সিলমোহর দিল আদালত।
২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী ও রোশান। তবে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয় সম্পর্কে টানাপোড়েন। বেশ কয়েক বছর ধরে তারা আলাদা বসবাস করছিলেন। রোশান সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টায় মামলা করেন, কিন্তু শ্রাবন্তী সায় না দিয়ে বিয়েবিচ্ছেদ চান এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে খোরপোশের দাবিও জানান।
মামলায় এক পর্যায়ে আদালতের স্থগিতাদেশ থাকলেও শেষমেশ সব জটিলতা কেটে গেল। বিচ্ছেদের পর রোশান বলেন, “সবকিছুই খুব শান্তিপূর্ণভাবে মিটেছে। ৮ এপ্রিল থেকে আমরা প্রেম-বিয়ের আগে যেমন অপরিচিত ছিলাম, এখন তেমনি আবার অপরিচিত হয়ে গেলাম।”
ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে শ্রাবন্তী ও রোশান পাকাপাকিভাবে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে পৌঁছান। আদালতের শুনানির তারিখ ধার্য হয় ৮ এপ্রিল, আর তখনই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
আইনি বিচ্ছেদের পর রোশান নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শ্রাবন্তীর ছবি সরিয়ে দেন এবং নতুন বাগদত্তা অনামিকা মিত্রের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। ফের বিয়ের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রোশান বলেন, “সবে একটি বন্ধন থেকে মুক্তি পেলাম। আপাতত নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছি। অনামিকার সঙ্গে চলতি বছরেই হয়তো নতুন জীবন শুরু করব।”
প্রসঙ্গত, শ্রাবন্তীর এটি তৃতীয় বিবাহবিচ্ছেদ। ২০০৩ সালে পরিচালক রাজীবের সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয় তার, সেই সংসারে জন্ম নেয় পুত্র অভিমন্যু। এরপর প্রেমিক কৃষাণ ভিরাজকে ২০১৬ সালে বিয়ে করেন তিনি, কিন্তু এক বছর না যেতেই ভেঙে যায় সেই সম্পর্কও।
দেশের তথ্য ডেস্ক 





















