Dhaka 1:52 am, Sunday, 28 June 2026

খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার

 

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন খুলনায় নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) উদ্বোধন করেছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করেছে কোম্পানিটি। দেশজুড়ে নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদানে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীনফোন; সেই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরালো করলো এই উদ্যোগ।

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার জয় প্রকাশ এই সেন্টারটি উদ্বোধন করেন। এসময় জিপিসিতে আসা একজন গ্রাহককে সরাসরি ‘জিপিফাই’ সেবা সংক্রান্ত তথ্যসেবা দিয়ে সহায়তা করেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জিপিসি পার্টনার শেখ মাহমুদ হাসান (সোহেল), গ্রামীণফোনের খুলনা সার্কেল বিজনেস হেড মো. আহসান হাবিব এবং হেড অফ কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

নতুন এই জিপিসিটি সুন্দরবনের থিমে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে, যেখানে স্থানীয় একজন শিল্পীর তৈরি করা শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এটি গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দ্রুত সমস্যার সমাধান, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তা এবং গ্রামীণফোনের ডিজিটাল সেবাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুলনার ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে চায় গ্রামীণফোন। নতুন এই সেন্টারটি ৯৯ শতাংশ পেপারলেস কাস্টমার সার্ভিস মডেলে পরিচালিত হচ্ছে, যা দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।

গ্রাহক-বান্ধব সেবা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার জয় প্রকাশ বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা নিরন্তর চেষ্টা করি সারাদেশে সর্বোত্তম গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে। এই নতুন সেন্টারটি আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা খুলনার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এই সেন্টারটি ডিজাইন করেছি, যাতে এটি শহরের প্রাণশক্তি এবং পরিচয়কে ফুটিয়ে তোলে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের গ্রাহকরা এই খোলামেলা এবং আন্তরিক পরিবেশে তাদের প্রত্যাশিত সেবা, যত্ন ও ডিজিটাল সহায়তা পাবেন; যা একই সাথে ডিজিটাল অভিজ্ঞতার একটি কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করবে।”

মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব, শক্তিশালী মৎস্য ও বাণিজ্য খাত এবং দ্রুত সম্প্রসারণশীল ইন্টারনেটনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে খুলনা দেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

খুলনায় চালু হলো নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার

প্রকাশঃ 11:49:54 am, Saturday, 16 May 2026

 

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন খুলনায় নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) উদ্বোধন করেছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তাদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করেছে কোম্পানিটি। দেশজুড়ে নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদানে সংকল্পবদ্ধ গ্রামীনফোন; সেই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরালো করলো এই উদ্যোগ।

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার জয় প্রকাশ এই সেন্টারটি উদ্বোধন করেন। এসময় জিপিসিতে আসা একজন গ্রাহককে সরাসরি ‘জিপিফাই’ সেবা সংক্রান্ত তথ্যসেবা দিয়ে সহায়তা করেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জিপিসি পার্টনার শেখ মাহমুদ হাসান (সোহেল), গ্রামীণফোনের খুলনা সার্কেল বিজনেস হেড মো. আহসান হাবিব এবং হেড অফ কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড সার্ভিস আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

নতুন এই জিপিসিটি সুন্দরবনের থিমে নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে, যেখানে স্থানীয় একজন শিল্পীর তৈরি করা শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এটি গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দ্রুত সমস্যার সমাধান, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তা এবং গ্রামীণফোনের ডিজিটাল সেবাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুলনার ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে চায় গ্রামীণফোন। নতুন এই সেন্টারটি ৯৯ শতাংশ পেপারলেস কাস্টমার সার্ভিস মডেলে পরিচালিত হচ্ছে, যা দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশের ওপর প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।

গ্রাহক-বান্ধব সেবা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে গ্রামীণফোনের চিফ টেকনোলজি অফিসার জয় প্রকাশ বলেন, “গ্রামীণফোনে আমরা নিরন্তর চেষ্টা করি সারাদেশে সর্বোত্তম গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে। এই নতুন সেন্টারটি আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা খুলনার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এই সেন্টারটি ডিজাইন করেছি, যাতে এটি শহরের প্রাণশক্তি এবং পরিচয়কে ফুটিয়ে তোলে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের গ্রাহকরা এই খোলামেলা এবং আন্তরিক পরিবেশে তাদের প্রত্যাশিত সেবা, যত্ন ও ডিজিটাল সহায়তা পাবেন; যা একই সাথে ডিজিটাল অভিজ্ঞতার একটি কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করবে।”

মোংলা বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব, শক্তিশালী মৎস্য ও বাণিজ্য খাত এবং দ্রুত সম্প্রসারণশীল ইন্টারনেটনির্ভর ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে খুলনা দেশের অর্থনৈতিক ও ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।