Dhaka 3:42 pm, Friday, 17 April 2026

খুলনায় ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

দেশের তথ্য ডেস্কঃ

খুলনায় ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাতে মনোয়ার হোসেন টগর (৩৫) নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা সবুজবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবক ওই এলাকার বাসিন্দা জামাল হাওলাদারের ছেলে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাতে নগরী সবুজবাগ এলাকায় বাড়িতে ঢুকে এক যুবককে ছুরি দিয়ে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।

নিহতের স্ত্রী বলেন, আমি মেইন রাস্তায় দোকানে গেছিলাম। আমার বাসা একটু গলির ভিতরে। আমি দেখি ৩/৪ টি মটরসাইকেল আমাদের গলির ভিতর থেকে চোর চোর বলে চলে যাচ্ছে। আমি আমার ঘরের ভিতর যাওয়ার পর আমার শ্বশুর বলে ওরে কারা মেরে ফেলে চলে গেছে। পরে পুলিশ এসে ওরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। গতকাল মোংলা থেকে কাজ শেষে বাসায় আসার সময় চায়ের দোকানদার জানিয়েছেন তোর যেন কারা খুঁজতে আসছে।

নিহত ওই যুবকের বাবা জামাল হাওলাদার বলেন, রাতে টগর আমাকে বলে দেখতো গেটে কারা এসেছে। দরজা খুলে দিলে ৩ জন যুবক বলে টগর আমাদের পরিচিত। তাদের দরজা খুলে দিলে বাড়িতে ঢোকে। আমি টগরের স্ত্রীকে ডাকতে যাই। একপর্যায়ে টগরের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এসে দেখি টগর মেঝেতে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। টগর রঙের কাজ করতো বলে তিনি জানিয়েছেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে নৌবাহিনীর বড় অভিযান: ৭২ হাজার পিস ইয়াবাসহ ২ কারবারি আটক

খুলনায় ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

প্রকাশঃ 05:04:23 am, Saturday, 2 August 2025

দেশের তথ্য ডেস্কঃ

খুলনায় ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাতে মনোয়ার হোসেন টগর (৩৫) নামের এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা সবুজবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবক ওই এলাকার বাসিন্দা জামাল হাওলাদারের ছেলে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাতে নগরী সবুজবাগ এলাকায় বাড়িতে ঢুকে এক যুবককে ছুরি দিয়ে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।

নিহতের স্ত্রী বলেন, আমি মেইন রাস্তায় দোকানে গেছিলাম। আমার বাসা একটু গলির ভিতরে। আমি দেখি ৩/৪ টি মটরসাইকেল আমাদের গলির ভিতর থেকে চোর চোর বলে চলে যাচ্ছে। আমি আমার ঘরের ভিতর যাওয়ার পর আমার শ্বশুর বলে ওরে কারা মেরে ফেলে চলে গেছে। পরে পুলিশ এসে ওরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। গতকাল মোংলা থেকে কাজ শেষে বাসায় আসার সময় চায়ের দোকানদার জানিয়েছেন তোর যেন কারা খুঁজতে আসছে।

নিহত ওই যুবকের বাবা জামাল হাওলাদার বলেন, রাতে টগর আমাকে বলে দেখতো গেটে কারা এসেছে। দরজা খুলে দিলে ৩ জন যুবক বলে টগর আমাদের পরিচিত। তাদের দরজা খুলে দিলে বাড়িতে ঢোকে। আমি টগরের স্ত্রীকে ডাকতে যাই। একপর্যায়ে টগরের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এসে দেখি টগর মেঝেতে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। টগর রঙের কাজ করতো বলে তিনি জানিয়েছেন।