Dhaka 1:38 pm, Friday, 17 April 2026

ভোলায় ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

 

ভোলা জেলা প্রতিনিধি :

 

ভোলা সদর উপজেলা শাখার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ আরিফের (৩০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ভোলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালিবাড়ি রোডের মসজিদ-ই নববীর পাশে ও নিজ বসতবাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

আরিফ ওই এলাকার বাসিন্দা মো. বশির উদ্দিন মাস্টার ও রাবেয়াবসরী দম্পতির একমাত্র ছেলে ছিলেন।

 

নিহতের বাবা বশির উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, রাতে আরিফ তার নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়ার সময় দেখি বাসার কেচিগেটের সামনে ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। আমার একমাত্র ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

 

নিহতের মা রাবেয়া বসরী জানান, রাত ১টার দিকে আরিফ অসুস্থতার কথা বলে পানি চান। পানি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেও ভোরে তার বাবার চিৎকার শুনে তিনি ছেলের মরদেহ দেখতে পান।

 

এদিকে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শংকর তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় কেডিএস-এর ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী শোভাযাত্রা

ভোলায় ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশঃ 09:22:28 am, Saturday, 30 August 2025

 

ভোলা জেলা প্রতিনিধি :

 

ভোলা সদর উপজেলা শাখার নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ আরিফের (৩০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ভোলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালিবাড়ি রোডের মসজিদ-ই নববীর পাশে ও নিজ বসতবাড়ির সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

আরিফ ওই এলাকার বাসিন্দা মো. বশির উদ্দিন মাস্টার ও রাবেয়াবসরী দম্পতির একমাত্র ছেলে ছিলেন।

 

নিহতের বাবা বশির উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, রাতে আরিফ তার নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়ার সময় দেখি বাসার কেচিগেটের সামনে ছেলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। আমার একমাত্র ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

 

নিহতের মা রাবেয়া বসরী জানান, রাত ১টার দিকে আরিফ অসুস্থতার কথা বলে পানি চান। পানি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেও ভোরে তার বাবার চিৎকার শুনে তিনি ছেলের মরদেহ দেখতে পান।

 

এদিকে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শংকর তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সুরতহাল রিপোর্টে নিহতের মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।