Dhaka 1:40 pm, Friday, 17 April 2026

জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানার জন্য আলোক ফাঁদ

 

বটিয়াঘাটায় আমন ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানার জন্য আলোক ফাঁদ।

বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে কৃষি অফিসের উদ্যোগে একযোগে রোপা আমন

ধানে ক্ষতিকর পোকামাকড় আলোক ফাঁদ দেওয়া হয়। পরিবেশ-বান্ধব এই প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড়, বিশেষ করে নিশাচর পোকাকে আকর্ষণ করতে আলোর ব্যবহার হয়। এটি ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ফসলি জমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমায়। ধানের মাজরা পোকার মথ, জিএলএইচ, বাদামী গাছফড়িং এবং বিভিন্ন সবজির ক্ষতিকর পোকা আলোক ফাঁদে আকৃষ্ট হয়। উপজেলার শুড়িখালী গ্রামের কৃষক মোঃ শাহাজাহান হোসেন বলেন, আলোক ফাঁদ দেওয়া ফলে এখন থেকে ধানের ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জেনে ব্যবস্থা নিতে পারবো। সংশ্লিষ্ট এলাকার উপ – সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জীবানন্দ রায় বলেন, রোপা আমন ধানের সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন মাঠে আলোক ফাঁদ দেওয়া হচ্ছে এবং উপস্থিত কৃষকদেরকে পোকা মাকড়ের জীবন্ত নমূনা দেখানো হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, প্রথম সপ্তাহে উপজেলা ব্যাপি একযোগে ২১টি ব্লকে আলোক ফাঁদ দেওয়া হচ্ছে, যাতে করে কৃষকের ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের উপস্থিত জানা যায় এবং সে মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে পারে তার আগাম সর্তকতা অংশ এটি উপজেলা ব্যাপি এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় কেডিএস-এর ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী শোভাযাত্রা

জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানার জন্য আলোক ফাঁদ

প্রকাশঃ 04:49:49 pm, Tuesday, 26 August 2025

 

বটিয়াঘাটায় আমন ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানার জন্য আলোক ফাঁদ।

বটিয়াঘাটা উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে কৃষি অফিসের উদ্যোগে একযোগে রোপা আমন

ধানে ক্ষতিকর পোকামাকড় আলোক ফাঁদ দেওয়া হয়। পরিবেশ-বান্ধব এই প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকামাকড়, বিশেষ করে নিশাচর পোকাকে আকর্ষণ করতে আলোর ব্যবহার হয়। এটি ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ফসলি জমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমায়। ধানের মাজরা পোকার মথ, জিএলএইচ, বাদামী গাছফড়িং এবং বিভিন্ন সবজির ক্ষতিকর পোকা আলোক ফাঁদে আকৃষ্ট হয়। উপজেলার শুড়িখালী গ্রামের কৃষক মোঃ শাহাজাহান হোসেন বলেন, আলোক ফাঁদ দেওয়া ফলে এখন থেকে ধানের ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জেনে ব্যবস্থা নিতে পারবো। সংশ্লিষ্ট এলাকার উপ – সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জীবানন্দ রায় বলেন, রোপা আমন ধানের সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন মাঠে আলোক ফাঁদ দেওয়া হচ্ছে এবং উপস্থিত কৃষকদেরকে পোকা মাকড়ের জীবন্ত নমূনা দেখানো হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, প্রথম সপ্তাহে উপজেলা ব্যাপি একযোগে ২১টি ব্লকে আলোক ফাঁদ দেওয়া হচ্ছে, যাতে করে কৃষকের ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের উপস্থিত জানা যায় এবং সে মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে পারে তার আগাম সর্তকতা অংশ এটি উপজেলা ব্যাপি এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।