Dhaka 2:00 pm, Friday, 17 April 2026

পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)র বিরুদ্ধে অনান্তার অভিযোগ

 

পাইকগাছায় দূর্নীতির খবর প্রকাশ করায় এবং আদালতে মামলা করার কারনে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপেছেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

 

উপজেলার প্রতাপকাটি গ্রামের শেখ শওকাত আলীর পুত্র শেখ নজরুল ইসলাম ও তার ভাইদের কাছ থেকে উপজেলার প্রতাপকাটি ও হাউলি মৌজার ভি,পি জমি ইজারা নবায়নের জন্য উপজেলা (ভূমি) অফিসের সাটিফিকেট সহকারী অমর্ত্য বিশ্বাস, সার্ভেয়ার কওছার আলী, নাজির কাম ক্যাশিয়ার জিহাদ উল্ল্যাহ, কপিলমুনি ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন পরস্পর যোগাযোগে সহকারী কমিশনার ভ‚মি মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীমকে টাকা দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন কিস্তিতে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। তবে উক্ত টাকা নেয়ার পর তারা অভিযোগকারী নজরুল ইসলামকে উক্ত জমি ইজারা প্রদান না করে তার প্রতিপক্ষদের নামে অবৈধ ভাবে ইজারা প্রদান করেন। উক্ত ঘুষ লেনদেনের বিষয় অভিযোগকারীর কাছে মোবাইল কথোপকথন এবং বিকাশের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন প্রমাণ থাকে। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা নজরুলকে টাকা ফেরৎ দিতে চেয়ে দেয় নাই। এরপর নজরুল বিষয়টি প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন। তাতে কোন ফল না পেয়ে বিষয়টি সংবাদিকদের জানান। উক্ত বিষয় বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়। এরপর গত ১২ই জানুয়ারী ২০২৫ নজরুল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। যাহার নম্বর – ৩৬/২৫, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি দন্ড বিধি আইনের অধীন অপরাধ সমূহ দূর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর তপশীল ভুক্ত অপরাধ যাহা কেবল মাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য তাই বাদীকে উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে আদালত মামলাটি ফেরৎ দেন। উক্ত মামলার আইনজীবী এ্যাডঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মী। তিনি শেখ নজরুল ইসলামের অভিযোগটি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ করেন এবং আইনজীবী হিসাবে মামলাটি আদালতে দাখিল করেন। সেকারণ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভ‚মি মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামিম ও তার অধীনস্থরা উক্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপেছেন। তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা সরকারী জমি উদ্ধার বা সরকারী জমি অবৈধ ভাবে রেকর্ডকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে সরকারী জমি উদ্ধারের নামে বন্দোবস্তকৃত জমি ক্রম হস্তান্তর সূত্রে ক্রয় করে ঘরবাড়ী নির্মাণে বসবাসকারী সাংবাদিক ও আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারী জমি উদ্ধারের নামে তাকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এমনকি আদালত মাধ্যমে অবমুক্ত ভিপি জমি ইজারা দেয়ার ষড়যন্ত্র সহ আইনজীবী ও সাংবাদিকদের দেখে নেবেন বলে লোকপরস্পর প্রচার করছেন। তাই সচেতন মহল দুই শতাধিক নাম পত্তন ও খরিজ সহ নামপত্তনের নামে হয়রানীকারী দূর্নীতি পরায়ন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভ‚মি ও তার অধীনস্থ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক অপসারনের দাবী জানিয়েছেন। তা- ছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় খুলনার ১৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রী নীপিরনেরঅভিযোগ উঠে। তার মধ্যে পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীমের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভ‚মিকার অভিযোগ রয়েছে। যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে পর্যালোচনা করছেন বলে জানাযায়। তা-ছাড়া অভিযুক্ত ইফতেখারুল ইসলাম শামীমের বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার এবং তিনি আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে নিজেকে একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসাবে জাহির করতেন। তবে বিগত সরকারের শাসন আমলে বিতর্কিত ভূমিকার কারনে অনেকেরই শাস্তি, বদলি, বাধ্যতমামূলক অবশর করা হলেও মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম আছেন বহাল তবিয়াতে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় কেডিএস-এর ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী শোভাযাত্রা

পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)র বিরুদ্ধে অনান্তার অভিযোগ

প্রকাশঃ 04:55:53 pm, Friday, 28 February 2025

 

পাইকগাছায় দূর্নীতির খবর প্রকাশ করায় এবং আদালতে মামলা করার কারনে আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপেছেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম।

 

উপজেলার প্রতাপকাটি গ্রামের শেখ শওকাত আলীর পুত্র শেখ নজরুল ইসলাম ও তার ভাইদের কাছ থেকে উপজেলার প্রতাপকাটি ও হাউলি মৌজার ভি,পি জমি ইজারা নবায়নের জন্য উপজেলা (ভূমি) অফিসের সাটিফিকেট সহকারী অমর্ত্য বিশ্বাস, সার্ভেয়ার কওছার আলী, নাজির কাম ক্যাশিয়ার জিহাদ উল্ল্যাহ, কপিলমুনি ইউনিয়ন ভ‚মি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন পরস্পর যোগাযোগে সহকারী কমিশনার ভ‚মি মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীমকে টাকা দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন কিস্তিতে ৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। তবে উক্ত টাকা নেয়ার পর তারা অভিযোগকারী নজরুল ইসলামকে উক্ত জমি ইজারা প্রদান না করে তার প্রতিপক্ষদের নামে অবৈধ ভাবে ইজারা প্রদান করেন। উক্ত ঘুষ লেনদেনের বিষয় অভিযোগকারীর কাছে মোবাইল কথোপকথন এবং বিকাশের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন প্রমাণ থাকে। পরবর্তীতে অভিযুক্তরা নজরুলকে টাকা ফেরৎ দিতে চেয়ে দেয় নাই। এরপর নজরুল বিষয়টি প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন। তাতে কোন ফল না পেয়ে বিষয়টি সংবাদিকদের জানান। উক্ত বিষয় বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশ হয়। এরপর গত ১২ই জানুয়ারী ২০২৫ নজরুল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। যাহার নম্বর – ৩৬/২৫, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি দন্ড বিধি আইনের অধীন অপরাধ সমূহ দূর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর তপশীল ভুক্ত অপরাধ যাহা কেবল মাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য তাই বাদীকে উপযুক্ত আদালতে যাওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করে আদালত মামলাটি ফেরৎ দেন। উক্ত মামলার আইনজীবী এ্যাডঃ এফ,এম,এ রাজ্জাক, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মী। তিনি শেখ নজরুল ইসলামের অভিযোগটি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশ করেন এবং আইনজীবী হিসাবে মামলাটি আদালতে দাখিল করেন। সেকারণ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভ‚মি মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামিম ও তার অধীনস্থরা উক্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপেছেন। তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা সরকারী জমি উদ্ধার বা সরকারী জমি অবৈধ ভাবে রেকর্ডকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে সরকারী জমি উদ্ধারের নামে বন্দোবস্তকৃত জমি ক্রম হস্তান্তর সূত্রে ক্রয় করে ঘরবাড়ী নির্মাণে বসবাসকারী সাংবাদিক ও আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারী জমি উদ্ধারের নামে তাকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

এমনকি আদালত মাধ্যমে অবমুক্ত ভিপি জমি ইজারা দেয়ার ষড়যন্ত্র সহ আইনজীবী ও সাংবাদিকদের দেখে নেবেন বলে লোকপরস্পর প্রচার করছেন। তাই সচেতন মহল দুই শতাধিক নাম পত্তন ও খরিজ সহ নামপত্তনের নামে হয়রানীকারী দূর্নীতি পরায়ন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভ‚মি ও তার অধীনস্থ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক অপসারনের দাবী জানিয়েছেন। তা- ছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় খুলনার ১৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রী নীপিরনেরঅভিযোগ উঠে। তার মধ্যে পাইকগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীমের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভ‚মিকার অভিযোগ রয়েছে। যা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে পর্যালোচনা করছেন বলে জানাযায়। তা-ছাড়া অভিযুক্ত ইফতেখারুল ইসলাম শামীমের বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার এবং তিনি আওয়ামী সরকারের শাসন আমলে নিজেকে একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসাবে জাহির করতেন। তবে বিগত সরকারের শাসন আমলে বিতর্কিত ভূমিকার কারনে অনেকেরই শাস্তি, বদলি, বাধ্যতমামূলক অবশর করা হলেও মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম আছেন বহাল তবিয়াতে।