ম্যাচটি ছিল কার্যত ফাইনাল। দুই দলের পয়েন্ট সমান থাকায়, জয়ী দলই হবে চ্যাম্পিয়ন—এই সরল সমীকরণ নিয়েই মাঠে নামে আবাহনী ও মোহামেডান। তবে একগুচ্ছ তারকা খেলোয়াড়কে ছাড়াই আজ মাঠে নামে মোহামেডান। অনুপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাওহীদ হৃদয়দের মতো তারকারা।
টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আবাহনী। ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৪০ রানে থামে মোহামেডান। মাহমুদউল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম করেন সমান ৫০ রান। রনি তালুকদার করেন ৪৫ রান। বল হাতে আবাহনীর পক্ষে মোসাদ্দেক হোসেন ও মৃত্যুঞ্জয় নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে আবাহনী। তবে ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ম্যাচ কিছুটা চাপে পড়ে। ঠিক সেই সময় হাল ধরেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মোহাম্মদ মিঠুন। দুজনেই থাকেন অপরাজিত। সৈকতের ব্যাট থেকে আসে ৭৮ রান, আর মিঠুন করেন ৬৬ রান। ১৩৫ রানের অনবদ্য জুটিতে জয় এনে দেন দলকে, সেটাও ৪০.৪ ওভারেই।
দেশের তথ্য ডেস্ক 















