Dhaka 3:56 pm, Monday, 29 June 2026

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তার ওপর হামলা

নড়াইলে অফিসে ঢুকে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এদিকে রাতে সদর উপজেলার যদুনাথপুর গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে জিসানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামি জিসানুর রহমান একজন সন্ত্রাসী, সরকারি কর্মচারীর কর্তব্য কাজে বাধাদানকারী, ভাঙচুরকারী ও খুন জখমকারী প্রকৃতির লোক। নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ চতুর্থ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় নড়াইল সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। ১ নম্বর আসামি প্রায়ই অফিসে গিয়ে গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য চায়, তাকে অফিসের গোপনীয় তথ্য প্রদান না করলে ভুক্তভোগীসহ অন্যদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে চলে যায়।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স / অ্যানেসথেসিওলজিস্ট না থাকায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা
রোববার বিকেল ৩টার দিকে আসামি জিসানুর রহমান অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ আমার অফিসে প্রবেশ করে জেলার সকল সুবিধাভোগী সদস্যদের তালিকা চায়। ভুক্তভোগী তাকে জানায়, এর আগেও অনেকবার তাকে তথ্য প্রদান করা হয়েছে, পুনরায় কেন লাগবে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আসামি উত্তেজিত হয়ে ভুক্তভোগীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং বলে, দিনে যতবার আসবে ততবার তাকে তথ্য দিতে হবে। একপর্যায় ১ নম্বর আসামি আমাকে মারধর করে জখম করে। এ ছাড়া টেবিলের উপরে রাখা সরকারি কম্পিউটার, মনিটর ভেঙে ফেলে।

আসামি জিসানুর রহমান টেবিলের উপরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফ্লোরে ফেলে দিয়ে সরকারি কর্তব্য কাজে বাধা সৃষ্টি করে। এসময় জিসানসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান আছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিসে ঢুকে মৎস্য কর্মকর্তার ওপর হামলা

প্রকাশঃ 05:26:22 am, Monday, 29 June 2026

নড়াইলে অফিসে ঢুকে সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু রায়হানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এদিকে রাতে সদর উপজেলার যদুনাথপুর গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে জিসানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামি জিসানুর রহমান একজন সন্ত্রাসী, সরকারি কর্মচারীর কর্তব্য কাজে বাধাদানকারী, ভাঙচুরকারী ও খুন জখমকারী প্রকৃতির লোক। নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ চতুর্থ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় নড়াইল সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। ১ নম্বর আসামি প্রায়ই অফিসে গিয়ে গোপনীয় বিভিন্ন তথ্য চায়, তাকে অফিসের গোপনীয় তথ্য প্রদান না করলে ভুক্তভোগীসহ অন্যদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে চলে যায়।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স / অ্যানেসথেসিওলজিস্ট না থাকায় ব্যাহত চিকিৎসাসেবা
রোববার বিকেল ৩টার দিকে আসামি জিসানুর রহমান অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ আমার অফিসে প্রবেশ করে জেলার সকল সুবিধাভোগী সদস্যদের তালিকা চায়। ভুক্তভোগী তাকে জানায়, এর আগেও অনেকবার তাকে তথ্য প্রদান করা হয়েছে, পুনরায় কেন লাগবে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে আসামি উত্তেজিত হয়ে ভুক্তভোগীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং বলে, দিনে যতবার আসবে ততবার তাকে তথ্য দিতে হবে। একপর্যায় ১ নম্বর আসামি আমাকে মারধর করে জখম করে। এ ছাড়া টেবিলের উপরে রাখা সরকারি কম্পিউটার, মনিটর ভেঙে ফেলে।

আসামি জিসানুর রহমান টেবিলের উপরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, কাগজপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফ্লোরে ফেলে দিয়ে সরকারি কর্তব্য কাজে বাধা সৃষ্টি করে। এসময় জিসানসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা আমাকে খুন জখমসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলমান আছে।