বাগেরহাট প্রতিনিধি
চলতি বোরো মৌসুমে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলনও বেশ ভালো। তবে উৎপাদন ভালো হলেও পরিবহন সংকটে ধান ঘরে তুলতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে চিতলমারীতে ১২ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর জমির ধান পেকে গেছে। তবে চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সোনাখালি বিলে প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে বাম্পার ফলন হলেও তা ঘরে তুলতে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
স্থানীয়রা জানান, বিল থেকে ধান আনার একমাত্র পথ একটি খাল। বর্তমানে খালটি কচুরিপানায় ভরাট হয়ে পড়ায় নৌকা চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে পাকা ধান কাটার পরও তা নিরাপদে ঘরে তুলতে পারবেন কিনা এমন শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা।
কৃষকরা বলেন, আমরা সবাই কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল। খালে কচুরিপানা জমে থাকায় নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ করা হলে আমরা সহজেই ধান ঘরে তুলতে পারব।
আরেকজন কৃষক বলেন, ধান বাড়িতে নেওয়ার একমাত্র উপায় নৌকা। কিন্তু খালে এত কচুরিপানা জমেছে যে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি কীভাবে ধান তুলব।
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত আল মারুফ বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলন ভালো হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় পরিবহন সমস্যার কারণে কৃষকদের ভোগান্তি হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার জানান, সোনাখালি বিলে কচুরিপানা অপসারণের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা নির্বিঘ্নে তাদের ধান ঘরে তুলতে পারেন।
দ্রুত খালটি পরিষ্কার করা না হলে কৃষকদের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশের তথ্য ডেস্ক 

















