Dhaka 12:32 pm, Friday, 17 April 2026

এলাকাবাসীর ধাওয়া খেলেন রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাসিন্দা আলাউদ্দিন শেখের মরদেহ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ঝাড়খণ্ডে উদ্ধার হয়। তিনি সেখানে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের অভিযোগ, আলাউদ্দিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

জানা গেছে, আলাউদ্দিন ঝাড়খণ্ডে ফেরিওয়ালার কাজ করতেন এবং একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। সেখান থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে গ্রামবাসীর দাবি, তাকে মারধর করে হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের শ্রমিক হওয়ার কারণেই তার সঙ্গে এমনটা করা হয়েছে।

এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার সকাল থেকে বেলডাঙায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে নামেন এবং ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধ করেন। ফলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

অবরোধের খবর সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান রিপাবলিক বাংলার এক সাংবাদিক। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, তার মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং ধাওয়া দিয়ে তাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, রিপাবলিক বাংলা ভুলভাবে খবর প্রচার করে এবং এতে উত্তেজনা বাড়ে।

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই অবরোধে বেলডাঙায় ব্যাপক অচলাবস্থা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা ট্রাফিক কিয়স্ক ভাঙচুর করে এবং পুলিশের একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় কেডিএস-এর ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখী শোভাযাত্রা

এলাকাবাসীর ধাওয়া খেলেন রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক

প্রকাশঃ 08:55:08 am, Saturday, 17 January 2026

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাসিন্দা আলাউদ্দিন শেখের মরদেহ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ঝাড়খণ্ডে উদ্ধার হয়। তিনি সেখানে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের অভিযোগ, আলাউদ্দিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

জানা গেছে, আলাউদ্দিন ঝাড়খণ্ডে ফেরিওয়ালার কাজ করতেন এবং একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। সেখান থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে গ্রামবাসীর দাবি, তাকে মারধর করে হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের আরও অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের শ্রমিক হওয়ার কারণেই তার সঙ্গে এমনটা করা হয়েছে।

এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুক্রবার সকাল থেকে বেলডাঙায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে নামেন এবং ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ও রেললাইন অবরোধ করেন। ফলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ হয়ে যায় এবং হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

অবরোধের খবর সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে যান রিপাবলিক বাংলার এক সাংবাদিক। এ সময় বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, তার মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং ধাওয়া দিয়ে তাকে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, রিপাবলিক বাংলা ভুলভাবে খবর প্রচার করে এবং এতে উত্তেজনা বাড়ে।

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই অবরোধে বেলডাঙায় ব্যাপক অচলাবস্থা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা ট্রাফিক কিয়স্ক ভাঙচুর করে এবং পুলিশের একটি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।