মোঃ বাবুল রানা
ক্যান্সারে আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ আর চোখের জল ভারী করে তুলেছে ভোলার দৌলতখানের উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের বাতাস। অর্থের অভাবে দীর্ঘ সাত মাস ধরে বন্ধ রয়েছে তরতাজা এক যুবকের চিকিৎসা। নিজের সন্তানকে চোখের সামনে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখে বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন এক অসহায় মা।
ভোলার দৌলতখান উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দুদুমিয়া হাওলাদার বাড়ীর বাসিন্দা মোঃ ফারুকের ছেলে শাওন মারাত্মক মরণব্যাধি রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
ঘরে কারেন্টের লাইন আছে, কিন্তু অর্থের অভাবে এই গরমে ক্যান্সার আক্রান্ত ছেলের রুমে একটা ফ্যান পর্যন্ত দিতে পারি নাই। চোখের সামনে ছেলেটা আমার ছটফট করে অঝোরে কেঁদে কেঁদে কথাগুলো বলছিলেন শাওনের মা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাওনের বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। প্রতিদিন যা আয় করেন, তা দিয়ে এই দ্রব্যমূল্যের বাজারে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হয়। এর মধ্যে ছেলের এমন ব্যয়বহুল চিকিৎসা যেন তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা। প্রথম দিকে ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও, গত ৭ মাস ধরে টাকার অভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে শাওনের চিকিৎসা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রাথমিকভাবে এলাকার অনেকেই সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু ক্যান্সারের মতো বড় ব্যাধির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, যা স্থানীয়দের পক্ষে একা বহন করা সম্ভব নয়। তারা বলেন, যদি কোনো সহৃদয়বান ও বিত্তবান ব্যক্তি এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান, তবে হয়তো এই তরুণ যুবকের জীবনটা বেঁচে যাবে। আমরা সবার কাছে শাওনের জন্য সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।
একটি সম্ভাবনাময় তরুণের জীবন বাঁচাতে এবং একজন মায়ের কোল খালি হওয়া থেকে রক্ষা করতে সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চরগুমানি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শাহাবুদ্দিন।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















