Dhaka 2:32 am, Sunday, 28 June 2026

গোপালগঞ্জে ​ঈদুল আজহা পরবর্তী বর্জ্য অপসারণে মাঠে জেলা প্রশাসন: দ্রুত পরিচ্ছন্ন হচ্ছে শহর

 

​গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

​পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহরকে দ্রুত স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং চারপাশ জীবাণুমুক্ত করতে জেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এক বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
​আজ সকাল থেকেই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয় পৌরসভার সহযোগিতায় এই ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হয়।
​সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের অলিগলি—সবখানেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন। পশুর রক্ত ও ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে নেওয়ার পরপরই দুর্গন্ধ দূর করতে এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগবালাইয়ের বিস্তার রোধে ছিটানো হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম)৷ ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা
“নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শহরের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।পুরো শহরটাই আমাদের মনিটরিং এর আওতায় রয়েছে। তবে শুধু প্রশাসনের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়; নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।”তিনি আরো বলেন
​ দ্রুত ময়লা সরিয়ে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ট্রাক, ট্রলি এবং অন্তত ১৬৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে।
​এ বিষয়ে জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক আরিফ- উজ জামান (ডিসি) বাংলাদেশের খবর’কে বলেন, “ঈদ আমাদের আনন্দের উৎসব, কিন্তু এই উৎসবের কারণে যেন পরিবেশ দূষিত না হয়, সেদিকে আমাদের কড়া নজর রয়েছে।কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে আমরা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একটি ঝকঝকে ও স্বাস্থ্যকর শহর উপহার দিতে পারব।”
​এদিকে, জেলা প্রশাসনের এই দ্রুত ও সময়োচিত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শহরের সচেতন নাগরিকরা জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার বর্জ্য অপসারণের গতি বেশ সন্তোষজনক এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে ঈদের পরপরই দুর্গন্ধের ভোগান্তি থেকে অনেকটাই রেহাই মিলছে।
অতিরিক্ত ​জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন গোপালগঞ্জবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন, শহরের শেষ প্রান্তের বর্জ্যটি অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

গোপালগঞ্জে ​ঈদুল আজহা পরবর্তী বর্জ্য অপসারণে মাঠে জেলা প্রশাসন: দ্রুত পরিচ্ছন্ন হচ্ছে শহর

প্রকাশঃ 07:52:48 am, Saturday, 30 May 2026

 

​গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

​পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান আনুষ্ঠানিকতা শেষে শহরকে দ্রুত স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং চারপাশ জীবাণুমুক্ত করতে জেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে এক বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
​আজ সকাল থেকেই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং স্থানীয় পৌরসভার সহযোগিতায় এই ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হয়।
​সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের অলিগলি—সবখানেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন। পশুর রক্ত ও ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে নেওয়ার পরপরই দুর্গন্ধ দূর করতে এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগবালাইয়ের বিস্তার রোধে ছিটানো হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম)৷ ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা
“নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শহরের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি।পুরো শহরটাই আমাদের মনিটরিং এর আওতায় রয়েছে। তবে শুধু প্রশাসনের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়; নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে।”তিনি আরো বলেন
​ দ্রুত ময়লা সরিয়ে নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ট্রাক, ট্রলি এবং অন্তত ১৬৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত করা হয়েছে।
​এ বিষয়ে জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক আরিফ- উজ জামান (ডিসি) বাংলাদেশের খবর’কে বলেন, “ঈদ আমাদের আনন্দের উৎসব, কিন্তু এই উৎসবের কারণে যেন পরিবেশ দূষিত না হয়, সেদিকে আমাদের কড়া নজর রয়েছে।কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করছেন। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে আমরা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একটি ঝকঝকে ও স্বাস্থ্যকর শহর উপহার দিতে পারব।”
​এদিকে, জেলা প্রশাসনের এই দ্রুত ও সময়োচিত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শহরের সচেতন নাগরিকরা জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার বর্জ্য অপসারণের গতি বেশ সন্তোষজনক এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার কারণে ঈদের পরপরই দুর্গন্ধের ভোগান্তি থেকে অনেকটাই রেহাই মিলছে।
অতিরিক্ত ​জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন গোপালগঞ্জবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন, শহরের শেষ প্রান্তের বর্জ্যটি অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত থাকবে।