Dhaka 12:39 am, Sunday, 28 June 2026

জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ : নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৮ মে) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট অ্যান্ড হোল-অফ-সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়েছে।

পাশাপাশি ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া বাংলাদেশের ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন ছয়টি অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

মন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

জাতিসংঘ ফোরামে বাংলাদেশ : নিরাপদ অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান

প্রকাশঃ 02:07:11 pm, Friday, 8 May 2026

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, জবাবদিহিতা জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৮ মে) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট অ্যান্ড হোল-অফ-সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়েছে।

পাশাপাশি ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া বাংলাদেশের ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন ছয়টি অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

মন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন।