খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে মানসিক বিকাশ এবং মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে হবে। শিক্ষার্থী ও অভিাবকদের মধ্যে খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি, শৃঙ্খলা এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। খেলার মাঠে পরিবেশবান্ধব গেম, বৃক্ষরোপণ অভিযান, এবং দলগত খেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের দক্ষতা তৈরি করা সম্ভব।
দলগত খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলার বন্ধন তৈরি করা প্রয়োজন। মাঠ পরিষ্কার, বৃক্ষরোপণ, বা সামাজিক সমস্যা নিয়ে কুইজ খেলার আয়োজন প্রয়োজন। এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা হবে। এভাবে বললেন জনউদ্যোগ,খুলনার সমাবেশে বক্তারা।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টায় জনউদ্যোগ খুলনার আয়োজনে আত্মসাহায্য কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থী ও অভিাভাবকদেও সাথে খেরাধুলার মাধ্যমে সম্প্রীতি, সামাজিক ও পরিবেশ ইস্যুতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতিত্ব করেন শিক্ষকনেতা জনউদ্যোগ খুলনার আহবায়ক মানস রায়। সভা পরিচালনা করেন আত্মসাহায্য কেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো: মাজাহারুল ইসলাম।
সমাবেশ প্রধান অতিথি ছিলেন থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: শাহজাহান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি শিশু পরিবার (বালক) অতিরিক্ত ঊপ-তত্ত্বাবধায়ক (ছোটমনি) নিবাস জেসিয়া রহমান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক ও জনউদ্যোগের সদস্য সচিব মহেন্দ্রনাথ সেন, শিক্ষকনেতা এস কে জামান।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মো: সেলিম হোসেন, সৈয়দা জান্নাতুল মাওয়া, সৈয়দা সাজিয়া আফরিন, নূরজাহান খাতুন, ফারজানা ববি প্রমুখ।
বক্তারা আরও বলেন, রোগমুক্ত জীবনযাপন করতে হলে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নাই। শিশুদের খেলতে খেলতে শিক্ষা দিতে হবে। শৈশবকালে তাদের হেসেখেলে শিক্ষাদান করে পারদর্শী করে তুলতে হবে। অনেক পিতা-মাতা, অভিভাবকে ছেলেমেয়েদের বলতে শুনা যায় খেলাধুলা করে লেখাপড়া নষ্ট হয়। কথাটি ঠিক নয়। মনের একঘেয়ামী জড়তা দূর করার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নাই। শারীরিক শিক্ষা ও খেলাধুলা সাধারণ শিক্ষার মতো একটি বিষয়।
দেশের তথ্য ডেস্ক 




















