এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল। খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য। নগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী। এক সময়ের কেসিসি ৩১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। তার কন্যা সারাহ তারিনের শিফট চেঞ্জের আবেদন জেলা প্রশাসনের ফাইলে বন্দী হয়ে আছে, ৪৫ দিন। ইতিমধ্যেই শিক্ষা বছরের এক-তৃতীয়াংশ সময় পার হয়েছে।
সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত এ শিক্ষার্থী। তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন এ প্রতিষ্ঠানে। গেল পাঁচ বছর শিপইয়ার্ড এলাকা থেকে আসেন বিদ্যাভাসের জন্য। পড়েন দিবা বিভাগে। তার মা কামরুন্নেসা গত ৮ মার্চ জেলা প্রশাসক ও এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দপ্তরে কন্যার শিফট চেঞ্জের জন্য আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, তার কন্যা দিবা বিভাগে অধ্যায়ন করে। একই বাড়িতে সংসদ সদস্যের ভাইয়ের কন্যা এই প্রতিষ্ঠানে ৮ম শ্রেণির প্রাত: বিভাগে অধ্যায়নরত। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দিবা বিভাগে তার কন্যা অধ্যায়ন করায় প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থা বিবেচনা করে দিবা বিভাগ থেকে প্রাত: বিভাগে আনার জন্য তিনি নিবেদন করেন। আবেদনকারির মা শিপইয়ার্ড স্কুল এন্ড কলেজের জীব বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক।
আবেদনকারি এ প্রতিবেদককে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিষয়টির সুরহা হয়নি। জেলা প্রশাসন থেকে তাকে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সভা শেষেই জানানো হবে।
সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেহেনা পারভীন এ্যানি গত বুধবার (২২ এপ্রিল) জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ভর্তি কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এ বিষয়ের কোনো সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসন স্কুল কর্তৃপক্ষকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জানাননি। জেলা প্রশাসক এ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















