Dhaka 12:20 pm, Sunday, 28 June 2026

বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন ছোট ভাই

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৌর এলাকার কালিপুরে বড় ভাই মো. রইছ মিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাই তাহের মিয়া মারা গেছেন।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে রইছ মিয়া ও ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মো. তাহের মিয়া মারা যান। নিহত মো. রইছ মিয়া (৭০) ও তাহের মিয়া (৬৫) কালিপুর এলাকার মৃত দুধ মোল্লার ছেলে।

জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে রইছ মিয়া অসুস্থতার কারণে তার নিজ বাড়িতে মারা যান। বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আপন ছোট ভাই অসুস্থবোধ করেন। বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মো. তাহের মিয়াও মারা যান। রইছ মিয়া ও তাহের মিয়ার জানাজা একই সঙ্গে মাগরিবের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয়। পরে এলাকার পুরাতন ঈদগাহ কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মো. রইছ মিয়ার ছেলে মো. আল-আমিন বলেন, আমার বাবার মৃত্যু শোক সইতে না পেরে আমার চাচাও মারা গেছেন। আমার বাবা ও চাচার জানাজা এক সঙ্গে পড়ানো হয়েছে। পরে কালিপুর পুরাতন ঈদগাহ কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন বলেন, আমাদের এলাকার বাসিন্দা রইছ মিয়া ও তাহের মিয়া। তারা অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। একই দিনে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসি জাদুতে জর্ডানকে উড়িয়ে শতভাগ জয়ে গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনা

বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে মারা গেলেন ছোট ভাই

প্রকাশঃ 04:54:00 am, Thursday, 17 April 2025
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পৌর এলাকার কালিপুরে বড় ভাই মো. রইছ মিয়ার মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাই তাহের মিয়া মারা গেছেন।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে রইছ মিয়া ও ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মো. তাহের মিয়া মারা যান। নিহত মো. রইছ মিয়া (৭০) ও তাহের মিয়া (৬৫) কালিপুর এলাকার মৃত দুধ মোল্লার ছেলে।

জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে রইছ মিয়া অসুস্থতার কারণে তার নিজ বাড়িতে মারা যান। বড় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর আপন ছোট ভাই অসুস্থবোধ করেন। বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মো. তাহের মিয়াও মারা যান। রইছ মিয়া ও তাহের মিয়ার জানাজা একই সঙ্গে মাগরিবের নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয়। পরে এলাকার পুরাতন ঈদগাহ কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মো. রইছ মিয়ার ছেলে মো. আল-আমিন বলেন, আমার বাবার মৃত্যু শোক সইতে না পেরে আমার চাচাও মারা গেছেন। আমার বাবা ও চাচার জানাজা এক সঙ্গে পড়ানো হয়েছে। পরে কালিপুর পুরাতন ঈদগাহ কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

ভৈরব পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন বলেন, আমাদের এলাকার বাসিন্দা রইছ মিয়া ও তাহের মিয়া। তারা অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। একই দিনে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।