Dhaka 11:07 am, Sunday, 28 June 2026

কৃষি গুচ্ছের ফল প্রকাশ, মেধা তালিকায় ৩৮৬৩ জন

কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৮৪ দশমিক ২৫ এবং মেধা তালিকার সর্বনিম্ন নম্বর ৪৪ দশমিক ৫০। জিপিএসহ সর্বমোট সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ১২৯ দশমিক ৭৭।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

কৃষি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি কমিটির সভাপতি বলেন, সাধারণ মেধা তালিকায় ৩ হাজার ৭৯৪ জন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় ৫ জন, উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী/ পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি কোটায় ৩৭ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ২৭ জন এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় ৭ হাজার ৫৮৮ জন স্থান পেয়েছে। এছাড়াও কোটায় নির্দিষ্ট সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী না থাকায় কোটার ১৩৫ জনকে সাধারণ মেধাতালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি জানান, মেধা তালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান প্রাপ্তদের আগামী ১৬ থেকে ২২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ের পছন্দ ক্রম দিতে হবে। এরপর আগামী ২৭ এপ্রিল মেধা তালিকায় প্রাপ্ত বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ নাম প্রকাশ করা হবে এবং বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে অনলাইনে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তির আগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। পরবর্তীতে আগামী ২৬ থেকে ২৮ মে সশরীরে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

উপাচার্য ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া জানান, ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে পাস নম্বর ছিল ৪০। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হয়েছে। ফলাফল ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে ১০০ নম্বর ছিল ভর্তি পরীক্ষার, এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ নম্বর এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে আরও ২৫ নম্বর যোগ করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত একযোগে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র এবং ১৩টি উপকেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আবেদন করেছিলেন মোট ৯৪ হাজার ২০ শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ৯১ হাজার ৩৭ জন প্রবেশপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কৃ‌ষি গু‌চ্ছে অংশগ্রহণকারী ৯‌টি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আসন সংখ্যা হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১১৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৮০, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২৩, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৯ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসি জাদুতে জর্ডানকে উড়িয়ে শতভাগ জয়ে গ্রুপসেরা আর্জেন্টিনা

কৃষি গুচ্ছের ফল প্রকাশ, মেধা তালিকায় ৩৮৬৩ জন

প্রকাশঃ 06:39:32 am, Wednesday, 16 April 2025
কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৮৪ দশমিক ২৫ এবং মেধা তালিকার সর্বনিম্ন নম্বর ৪৪ দশমিক ৫০। জিপিএসহ সর্বমোট সর্বোচ্চ নম্বর ছিল ১২৯ দশমিক ৭৭।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

কৃষি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি কমিটির সভাপতি বলেন, সাধারণ মেধা তালিকায় ৩ হাজার ৭৯৪ জন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় ৫ জন, উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী/ পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি কোটায় ৩৭ জন, প্রতিবন্ধী কোটায় ২৭ জন এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় ৭ হাজার ৫৮৮ জন স্থান পেয়েছে। এছাড়াও কোটায় নির্দিষ্ট সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী না থাকায় কোটার ১৩৫ জনকে সাধারণ মেধাতালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি জানান, মেধা তালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান প্রাপ্তদের আগামী ১৬ থেকে ২২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয়ের পছন্দ ক্রম দিতে হবে। এরপর আগামী ২৭ এপ্রিল মেধা তালিকায় প্রাপ্ত বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ নাম প্রকাশ করা হবে এবং বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ২ মে অনলাইনে ১০ হাজার টাকা ভর্তি ফি পরিশোধ করে ভর্তির আগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। পরবর্তীতে আগামী ২৬ থেকে ২৮ মে সশরীরে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

উপাচার্য ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া জানান, ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে পাস নম্বর ছিল ৪০। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হয়েছে। ফলাফল ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে ১০০ নম্বর ছিল ভর্তি পরীক্ষার, এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ নম্বর এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে আরও ২৫ নম্বর যোগ করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত একযোগে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র এবং ১৩টি উপকেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আবেদন করেছিলেন মোট ৯৪ হাজার ২০ শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে ৯১ হাজার ৩৭ জন প্রবেশপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কৃ‌ষি গু‌চ্ছে অংশগ্রহণকারী ৯‌টি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আসন সংখ্যা হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১১৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৫, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৮০, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪২৩, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৯ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি।