Dhaka 2:43 am, Sunday, 28 June 2026

খুলনার কয়রায় এক রাতে ৫ সরকারী দপ্তরে ভাঙচুর

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ 

খুলনার কয়রায় এক রাতে পাঁচটি সরকারী দপ্তরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

 

জানা গেছে, ভাঙচুরকৃত দপ্তরগুলো হলো, কয়রা উপজেলার পল্লী উন্নয়ন অফিস, আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

 

গতকাল ১৭ জুন বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা এসব অফিসের জানালার কাঁচ ও তালা ভাঙচুর করে বলে জানা গেছে।

 

উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রকাশ মল্লিক জানিয়েছেন, সকালে অফিসে এসে প্রধান ফটক ও তালায় ভাঙচুরের চিহ্ন দেখতে পান। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, রাত ৩টার দিকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশের চেষ্টা করে। পাশের ডরমিটরিতে থাকা এক ব্যক্তি শব্দ শুনে জেগে উঠে তাদের দেখতে পেলেও ভয়ে বাইরে বের হননি।

 

ধারণা করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যেই অফিসে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় দুর্বৃত্তরা পাশের কয়েকটি সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর চালিয়ে চলে যায়। ঘটনার সময় অফিসের পাহারাদার অসুস্থ থাকায় দায়িত্বে ছিলেন না বলেও জানান তিনি।

 

উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে এসে ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান। পরে পুলিশকে অবহিত করেন। এ ঘটনায় অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও জিনিসপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কায়।

 

অন্যদিকে, আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর করছিলেন রবিউল সরদার (২৭) নামে এক যুবক। পরে স্থানীয়রা খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে উপজেলা পরিষদে ভাঙচুরের তথ্য পায়। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে করে তার অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

তারিখঃ ১৮/০৬/২৬ ইং।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

খুলনার কয়রায় এক রাতে ৫ সরকারী দপ্তরে ভাঙচুর

প্রকাশঃ 04:43:47 pm, Thursday, 18 June 2026

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ 

খুলনার কয়রায় এক রাতে পাঁচটি সরকারী দপ্তরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

 

জানা গেছে, ভাঙচুরকৃত দপ্তরগুলো হলো, কয়রা উপজেলার পল্লী উন্নয়ন অফিস, আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

 

গতকাল ১৭ জুন বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা এসব অফিসের জানালার কাঁচ ও তালা ভাঙচুর করে বলে জানা গেছে।

 

উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রকাশ মল্লিক জানিয়েছেন, সকালে অফিসে এসে প্রধান ফটক ও তালায় ভাঙচুরের চিহ্ন দেখতে পান। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, রাত ৩টার দিকে তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশের চেষ্টা করে। পাশের ডরমিটরিতে থাকা এক ব্যক্তি শব্দ শুনে জেগে উঠে তাদের দেখতে পেলেও ভয়ে বাইরে বের হননি।

 

ধারণা করা হচ্ছে, চুরির উদ্দেশ্যেই অফিসে প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় দুর্বৃত্তরা পাশের কয়েকটি সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর চালিয়ে চলে যায়। ঘটনার সময় অফিসের পাহারাদার অসুস্থ থাকায় দায়িত্বে ছিলেন না বলেও জানান তিনি।

 

উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে এসে ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান। পরে পুলিশকে অবহিত করেন। এ ঘটনায় অফিসের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও জিনিসপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কায়।

 

অন্যদিকে, আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর করছিলেন রবিউল সরদার (২৭) নামে এক যুবক। পরে স্থানীয়রা খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে উপজেলা পরিষদে ভাঙচুরের তথ্য পায়। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে করে তার অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

তারিখঃ ১৮/০৬/২৬ ইং।