ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণভাবে একযোগে ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলবে (স্থানীয় সময়) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ৮৯.৯৩ শতাংশ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে ২০২৪ সালে এই নির্বাচনে ভোট পড়েছিল প্রায় ৮০ শতাংশ।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে ইসি সূত্রে জানা গেছে, জেলাভিত্তিক হিসাবে দক্ষিণ দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৯৩.১২ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই জেলার ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ রাজ্যের সামগ্রিক হার বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে এবং দিনভর শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অব্যাহত ছিল।
তবে এবারের ভোটার উপস্থিতি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা ও আগ্রহের স্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন অনেকে।
এর আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটের হার নিয়ে প্রকাশিত তথ্যে ইসি জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় এ সময়ের মধ্যেই ৮০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে ভোটের হার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৮১.৪৯ শতাংশ।
এর পরেই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর (৮১.০৭ শতাংশ), ঝাড়গ্রাম (৮১.০৪ শতাংশ) এবং বীরভূম (৮০.২২ শতাংশ)।
মুর্শিদাবাদে ভোট পড়েছে ৭৯.৭২ শতাংশ। একই সময়ে তুলনামূলক কিছুটা কম ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে দার্জিলিং ও মালদায় (৭৬.৫৪ শতাংশ ও ৭৬.২২ শতাংশ)।
অন্যদিকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সন্তোষজনক ভোটগ্রহণ হয়েছে তামিলনাড়ুতেও। রাজ্যটির নামাক্কাল জেলায় ভোট পড়েছে সর্বোচ্চ ৭৬.৪৩ শতাংশ, করুর (৭৬.০৮ শতাংশ), সেলাম (৭৫.৭৯ শতাংশ), ইরোড (৭৫.৬১ শতাংশ) এবং তিরুপ্পুর (৭৫.৩৮ শতাংশ) জেলায়ও উচ্চ ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এ ছাড়া ধর্মপুরী (৭৪.৬৮ শতাংশ), দিন্দিগুল (৭৪.৩৫ শতাংশ), কাঞ্চিপুরম (৭২.৫১ শতাংশ), কোয়েম্বাটুর (৭১.১৬ শতাংশ), কাল্লাকুরিচি (৭১.১১ শতাংশ) ও তিরুচিরাপল্লি (৭১.০৫ শতাংশ) জেলাগুলোতেও স্থিতিশীল ভোটগ্রহণ হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রথম দফার নির্বাচনে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ভোটারের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল ৭টায় শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জানা যায়, প্রথম দফার জন্য মোট ৪৪ হাজার ৩৭৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার সহায়ক বুথ রয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৪৪টি কেন্দ্র নারী পরিচালিত। তবে এর মধ্যে প্রায় ৮ হাজারের বেশি স্পর্শকাতর বুথ এবং অতীতে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এমন ২০০টির বেশি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 





















