Dhaka 5:51 am, Sunday, 28 June 2026

আদালতেই শেখ হাসিনাকে নিয়ে মুখ খুললেন তুরিন, ‘আমাকে ১০ কেন ২০ দিনের রিমান্ড দিন’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আব্দুল জব্বার নামের এক শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।

তুরিন আফরোজ এ সময় নিজেই আদালতে বক্তব্য রাখতে চান। তিনি বলেন, “আমাকে ১০ দিনের কেন, ২০ দিনের রিমান্ড দিন। আমি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় ৬ বছর চাকরি থেকে বঞ্চিত ছিলাম। আমি তার সহযোগী ছিলাম না।”

দুপুর ১টার দিকে তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে ২টা ৩৪ মিনিটে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে তোলা হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক সুমন মিয়া তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। তুরিন আফরোজের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় বিচারক তাকেই নিজের বক্তব্য রাখতে বলেন।

তুরিন আফরোজ বলেন, “হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে ৪ আগস্ট। ওই সময় আমি টিউমার অপারেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি চাইলে ডাক্তারি রিপোর্ট দিতে পারি। আমি গত ৪ বছর ধরে মিডিয়ায় কিছু বলিনি বা লিখিনি। তবে আমি আইন মানি, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমি তদন্ত কর্মকর্তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করব। আশা করছি, আমি ন্যায়বিচার পাব।”

শুনানি শেষে বিচারক তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার রাতে উত্তরা এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

আদালতেই শেখ হাসিনাকে নিয়ে মুখ খুললেন তুরিন, ‘আমাকে ১০ কেন ২০ দিনের রিমান্ড দিন’

প্রকাশঃ 11:23:29 am, Tuesday, 8 April 2025

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আব্দুল জব্বার নামের এক শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।

তুরিন আফরোজ এ সময় নিজেই আদালতে বক্তব্য রাখতে চান। তিনি বলেন, “আমাকে ১০ দিনের কেন, ২০ দিনের রিমান্ড দিন। আমি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় ৬ বছর চাকরি থেকে বঞ্চিত ছিলাম। আমি তার সহযোগী ছিলাম না।”

দুপুর ১টার দিকে তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে ২টা ৩৪ মিনিটে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে তোলা হয়। উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক সুমন মিয়া তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন। তুরিন আফরোজের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় বিচারক তাকেই নিজের বক্তব্য রাখতে বলেন।

তুরিন আফরোজ বলেন, “হত্যাচেষ্টার ঘটনাটি ঘটেছে ৪ আগস্ট। ওই সময় আমি টিউমার অপারেশনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি চাইলে ডাক্তারি রিপোর্ট দিতে পারি। আমি গত ৪ বছর ধরে মিডিয়ায় কিছু বলিনি বা লিখিনি। তবে আমি আইন মানি, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আমি তদন্ত কর্মকর্তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করব। আশা করছি, আমি ন্যায়বিচার পাব।”

শুনানি শেষে বিচারক তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার রাতে উত্তরা এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।