Dhaka 2:43 am, Sunday, 28 June 2026

‘ঢাকা ত্যাগ করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী’

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকা ছেড়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ছাড়েন।

দেশ ত্যাগের আগে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশে তার অবস্থানকালে দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা এবং অন্যটি ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে।

এর আগে, শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় গার্ড অব অনার ও তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তোবগে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আলাদাভাবে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সফরকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। শনিবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা উষ্ণ ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।

বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করেন, বিশেষ গুরুত্ব দেন বাণিজ্য, সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে।”

রোববার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী তোবগের সঙ্গে এই সফরে ছিলেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুঙ্গিয়েল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী লিয়নপো নামগিয়াল দরজি এবং ভুটানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রামপালে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: মামলা, গ্রেপ্তার ১

‘ঢাকা ত্যাগ করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী’

প্রকাশঃ 04:24:18 am, Monday, 24 November 2025

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকা ছেড়েছেন। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকা ছাড়েন।

দেশ ত্যাগের আগে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশে তার অবস্থানকালে দুই দেশের মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে একটি স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা এবং অন্যটি ইন্টারনেট সংযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে।

এর আগে, শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধান উপদেষ্টা ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় গার্ড অব অনার ও তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী তোবগে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আলাদাভাবে সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সফরকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। শনিবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা উষ্ণ ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন।

বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করেন, বিশেষ গুরুত্ব দেন বাণিজ্য, সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে।”

রোববার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন।

প্রধানমন্ত্রী তোবগের সঙ্গে এই সফরে ছিলেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুঙ্গিয়েল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী লিয়নপো নামগিয়াল দরজি এবং ভুটানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।