ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
শারীরিক প্রতিবন্ধী সালাউদ্দিনের দুই সন্তানকে রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়েছেন গৃহবধূ মুক্তা বেগম। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এমনই ঘটনা ঘটেছে ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের খন্দকার বাড়ীতে।
গত বুধবার ২৭ আগস্ট মুক্তা বেগম পরকীয়া প্রেমিকের সাথে দুই সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী স্বামী সালাউদ্দিনকে রেখে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী সালাউদ্দিন ২০১৪ সালে পারিবারিকভাবে মুক্তা বেগমকে বিবাহ করেন। বিবাহর পর থেকে সাংসারিক জীবন ভালোই যাচ্ছিল তাদের। এরই মধ্যে তাদের সংসারে ছেলে এবং মেয়ে সন্তান আসেন। মুক্তা বেগম স্বামী সালাউদ্দিনের কাছ থেকে যখন যাই চাইতেন তাই দিতেন। এরই মধ্যে মুক্তা বেগম এনজিও থেকে তিনটি লোন নিয়ে তিন লক্ষ বিশ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
স্বামী সালাউদ্দিন জানান, আমাদের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে আমার স্ত্রী মুক্তা বেগমের কোন কিছুই কোনটি রাখেনি।হঠাৎ করে বায়না করেন টাচ মোবাইল সেট কিনে দিতে হবে। আমি না বললে বিভিন্ন প্রকার ঝামেলা দেখে মোবাইল সেট কিনায়। তারপর থেকে টিক টক, ফেজবুক,ইমু একাউন্ট খুলেন। এরপর দেখি আমার স্ত্রী নানান লোকের সাথে কথা বলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলে আমার কাছ থেকে এড়িয়ে যান।
মুক্তা বেগমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কারো সাথে পালিয়ে যাইনি আমি ঢাকা এসে চাকরি করতেছি এবং উল্টো শারীরিক প্রতিবন্ধী স্বামী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলেন।
এ বিষয় পরকীয়া প্রেমিক আব্বাসের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অনেক আগে মুক্তা বেগমের সাথে আমার বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। আমি তাকে নিয়ে পালিয়ে যাব কেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে রতানো হচ্ছে
এ ঘটনায় দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















