এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদিকে ফোন করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এক এক্স বার্তায় ওই ফোন কলের কথা উল্লেখ করেন। জয়সোয়াল বলেন, ট্রাম্প এই হামলার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকা ভারতের পাশে রয়েছে এবং সম্ভাব্য সব সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মীরে হামলার ঘটনায় নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দেন ট্রাম্প। তিনি লিখেন, ‘কাশ্মীর থেকে বিরক্তিকর খবর পেয়েছি। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমেরিকা দৃঢ়ভাবে ভারতের পাশে আছে। যারা নিহত হয়েছেন তাদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের আরোগ্য কামনা করি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতের জনগণের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন এবং গভীর সহানুভূতি রয়েছে। আমাদের হৃদয় আপনাদের সবার সঙ্গে আছে।’
জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় মঙ্গলবারের সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২৬ পর্যটক নিহত হয়েছেন। তবে স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের মতে, হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত ২৯ জন ।
হামলার পরপরই দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে গোয়েন্দা ব্যুরোর প্রধান তপন যেকা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সিআরপিএফ প্রধান জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিংহ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিজি নলিন প্রভাত এবং কিছু সেনা কর্মকর্তাও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহার সঙ্গেও কথা বলেছেন অমিত শাহ।
লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা জানান, সন্ত্রাসীদের ধরতে বিরাট সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করা হয়েছে। পাহালগামে হামলাকারীদের তাদের জঘন্য কাজের কঠিন মূল্য দিতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















