মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে কাঁথা-বালিশ বিছিয়ে অনশন করছেন। সোমবার বিকাল ৩টা থেকে অনশন শুরু হয়েছে, যা এখনো চলমান রয়েছে। ৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ে।
অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন- চারুকলা ইন্সটিটিউটের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার হাসান সোহেল, ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী খন্দকার মাসরুল আল ফাহিম, ২০১৯-২০ সেশনের নূর ইকবাল সানি, ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইয়ামিন, একই সেশনের শিক্ষার্থী মালিহা চৌধুরী, ইসরাত জাহান, নুসরাত জাহান ইপা, ২০২৩-২৪ সেশনের তরিকুল ইসলাম মাহী ও একই সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম মিনহাজ।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ ও কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও সংহতি প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এপ্রিলের আগেই মূল ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের ঘোষণা দিলেও এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
আরেক শিক্ষার্থী মাসকুল ফাহিম বলেন, প্রশাসনের অনেকেই আমাদের বুঝানোর চেষ্টা করছেন। আমাদের দাবি হলো, একটা যৌক্তিক সমাধানের মাধ্যমে চারুকলা ইন্সটিটিউটকে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনা হয়। এখনো কেন এই কাজে বিলম্ব হচ্ছে, এটা আমাদের প্রশ্ন। আমরা এত সময় ধরে অনশনরত অবস্থায় আছি। কিন্তু চারুকলা ইন্সটিটিউট নিয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখছি না।
এদিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটকে ক্যাম্পাসে ফেরানো দাবির প্রেক্ষিতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জরুরি সিন্ডিকেট সভাটি হয়।
উল্লেখ্য, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার অত্যধিক খরচ, চারুকলার ভবনগুলোর বেহাল দশাসহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ক্যাম্পাসে ফিরতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে আন্দোলনের পর প্রশাসন ১ এপ্রিল থেকে ক্যাম্পাসে ক্লাস করার আশ্বাস দিলেও তা কার্যকর না হওয়ায় অনশন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















