Dhaka 10:07 pm, Sunday, 28 June 2026

কুয়েট বিষয়ে পাংশা উপজেলার কৃতি সন্তানের মন্তব্য

কুয়েট বিষয়ে পাংশা উপজেলার কৃতি সন্তান সাগর শিকদার, ভালোবাসার শহর পাংশা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি আনুমানিক ৬ টায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি স্ট্যাটাসে স্পষ্টভাবে কুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে পোস্টটি করেন।

পোস্টে সে লিখেন,

দেশে মনে হয় আমরা এখন পর্যন্ত ৩০০+ আন্দোলন দেখে ফেলেছি। কুয়েট এর আন্দোলন ছিলো অন্যরকম। এইছেলে গুলা মাইর খাইলো, মামলা খাইলো, বহিষ্কার হইলো। এরা কোন রাস্তা আটকায় নাই, ঢাকায় এসে জনদুর্ভোগ এর চিন্তা করে, শহীদ মিনারে গিয়ে কিছুক্ষণ দাড়ায়ে, তিন জন মিলে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টার অধিদপ্তরে স্বারকলিপি দিয়া আসলো। কোন কিছুতে কাজ না হওয়ায়, এখন নিজের জীবন দিয়ে দিতে প্রস্তুত হইয়া, ৩:৩০ টা থেকে ৩২ জন অনশনে বসে গেল। দেশের মানুষ এদের থেকে শিক্ষা নিবে কি, ইন্টেরিম এদিকে তাকাবে না, কারণ এরা জনদুর্ভোগ করে নাই। নোট রাখেন, এরা দেশ টপ চারটা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট, নিজে মাইর খাইয়াও জনদুর্ভোগ চিন্তা করে। দাবি মানানোর জন্য নিজের জীবন দিতে রাজি আছে, তাও জনদুর্ভোগ করবে না। তোমাদের উপর

শুধু আমরা না, সারা দেশের মানুষ গর্বিত।

 

 

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

কুয়েট বিষয়ে পাংশা উপজেলার কৃতি সন্তানের মন্তব্য

প্রকাশঃ 03:48:27 pm, Tuesday, 22 April 2025

কুয়েট বিষয়ে পাংশা উপজেলার কৃতি সন্তান সাগর শিকদার, ভালোবাসার শহর পাংশা ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সভাপতি আনুমানিক ৬ টায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি স্ট্যাটাসে স্পষ্টভাবে কুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে পোস্টটি করেন।

পোস্টে সে লিখেন,

দেশে মনে হয় আমরা এখন পর্যন্ত ৩০০+ আন্দোলন দেখে ফেলেছি। কুয়েট এর আন্দোলন ছিলো অন্যরকম। এইছেলে গুলা মাইর খাইলো, মামলা খাইলো, বহিষ্কার হইলো। এরা কোন রাস্তা আটকায় নাই, ঢাকায় এসে জনদুর্ভোগ এর চিন্তা করে, শহীদ মিনারে গিয়ে কিছুক্ষণ দাড়ায়ে, তিন জন মিলে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টার অধিদপ্তরে স্বারকলিপি দিয়া আসলো। কোন কিছুতে কাজ না হওয়ায়, এখন নিজের জীবন দিয়ে দিতে প্রস্তুত হইয়া, ৩:৩০ টা থেকে ৩২ জন অনশনে বসে গেল। দেশের মানুষ এদের থেকে শিক্ষা নিবে কি, ইন্টেরিম এদিকে তাকাবে না, কারণ এরা জনদুর্ভোগ করে নাই। নোট রাখেন, এরা দেশ টপ চারটা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট, নিজে মাইর খাইয়াও জনদুর্ভোগ চিন্তা করে। দাবি মানানোর জন্য নিজের জীবন দিতে রাজি আছে, তাও জনদুর্ভোগ করবে না। তোমাদের উপর

শুধু আমরা না, সারা দেশের মানুষ গর্বিত।