মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে চবির এক নম্বর ফটক এলাকায় (চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি) অবরোধ করেন তারা। এর আগে, দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করে এক নম্বর ফটক পর্যন্ত পদযাত্রা করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ ছিল।
অপহৃতরা হলেন, চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মৈত্রীময় চাকমা ও অলড্রিন ত্রিপুরা, নাট্যকলা বিভাগের দিব্যি চাকমা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের রিশন চাকমা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের লংঙি ম্রো। তারা সবাই ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষার্থী শাফকাত বলেন, আজ সাতদিন হয়ে গেলেও অপহৃত ৫ শিক্ষার্থীর এখনও কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিপ্লবোত্তর বাংলাদেশের পাহাড় কিংবা সমতলে কোথাও এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। অপহৃতদের মুক্তির বিষয়ে সরকারকে আরো কঠোর অবস্থানে যেতে হবে। আমরা দ্রুত অক্ষত অবস্থায় তাদের মুক্তি চাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, যারা অপহৃত হয়েছে তারা আমাদের সন্তান। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা যেরকম সচেতন তেমনি আমরাও। তবে সড়ক অবরোধ করে জনসাধারণের দুর্ভোগ বাড়িয়ে কোনো লাভ হবে না। তাদের নিরাপত্তার কথা আমাদের মাথায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন আমরা করেছি৷ আমরা আশা করছি দ্রুত তাদের খোঁজ পাব৷
উল্লেখ্য, বুধবার (১৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের গিরিফুল এলাকা থেকে চবির পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফন্টের (ইউপিডিএফ) নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















