Dhaka 9:14 pm, Sunday, 28 June 2026

ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মেসেঞ্জারে ক্ষুদে বার্তা

রাজধানীর কলাবাগানের হাতিরপুল এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে পিনাক রঞ্জন সরকার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

পিনাকের বন্ধু ও রুমমেট জাহিদ বলেন, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সে আমাকে একটি মেসেজ করে বাসায় আসতে নিষেধ করে। পরে মেসেঞ্জারের স্টোরিতে সে লেখে- ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। আমরা ফ্ল্যাট ভাড়া করে দুজনই থাকতাম। পিনাক একটি রুমে থাকত এবং আমি ড্রয়িংরুমে থাকতাম। আরেকটি রুম ফাঁকা ছিল।

আমি অফিস থেকে ফিরে এসে দেখি পাশের ফাঁকা রুমটিতে দরজা লক করা। পরে অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা না খোলায় ৯৯৯-এ ফোন দেই। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠায় পুলিশ।

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে রাতে কলাবাগানের হাতিরপুলে একটি ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তেরখাদায় বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের প্রণোদনা বীজ ও সার বিতরণ

ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মেসেঞ্জারে ক্ষুদে বার্তা

প্রকাশঃ 10:24:52 am, Tuesday, 22 April 2025
রাজধানীর কলাবাগানের হাতিরপুল এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে পিনাক রঞ্জন সরকার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।

সোমবার (২১ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

পিনাকের বন্ধু ও রুমমেট জাহিদ বলেন, গতকাল সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে সে আমাকে একটি মেসেজ করে বাসায় আসতে নিষেধ করে। পরে মেসেঞ্জারের স্টোরিতে সে লেখে- ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। আমরা ফ্ল্যাট ভাড়া করে দুজনই থাকতাম। পিনাক একটি রুমে থাকত এবং আমি ড্রয়িংরুমে থাকতাম। আরেকটি রুম ফাঁকা ছিল।

আমি অফিস থেকে ফিরে এসে দেখি পাশের ফাঁকা রুমটিতে দরজা লক করা। পরে অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা না খোলায় ৯৯৯-এ ফোন দেই। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠায় পুলিশ।

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে রাতে কলাবাগানের হাতিরপুলে একটি ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় একজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।