প্রতিবেদনে কর্মক্ষেত্রে অপমানজনক সম্বোধন বন্ধে ‘তুই-তুমি’র ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘মহিলা’ শব্দের পরিবর্তে ‘নারী’ শব্দ ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে ভাষা আরও মর্যাদাবান ও সমানুভব সম্পন্ন হয়।
কমিশন নারী, পুরুষ, তৃতীয় লিঙ্গসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করাকে প্রাধান্য দিয়েছে। পাহাড়ি ও সমতলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ সব জনগোষ্ঠীর শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন, অভিযোগ সেল গঠন এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটিকে পূর্ণ বেতনে ছয় মাসে উন্নীত করা এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারীদের জন্য বিশেষ সহায়তা স্কিম চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।
সবশেষে, শ্রম আদালত ও আপিল ট্রাইব্যুনাল থেকে শুরু করে হাইকোর্ট পর্যন্ত সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার চালু করার সুপারিশ করেছে শ্রম সংস্কার কমিশন।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















