বাংলাদেশের করা ১৯১ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনে প্রথম সেশনে ১৩৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসেছিল জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে উইলিয়ামস ও ম্যাধেভেরের জুটি কিছুটা স্থিরতা এনে দিলেও উইলিয়ামসের ৫৯ রানের মাথায় হঠাৎই ক্যাচ তুলে দেওয়া পুরো পরিকল্পনাতেই আঘাত হানে।
তার আগে অবশ্য দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট (৫৭) ও বেন কারেন (১৮) মিলে ৬৯ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে দেন। এরপর রানা ঝড়ে ম্যাচে ফিরে টাইগাররা। উইলিয়ামসের পরে মাধেভেরে ২৪ রানে বিদায় নিলেও উইকেটের অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে দৃঢ়তা দেখান উইকেটকিপার ব্যাটার নয়াশা মায়াভো। সেশনের শেষ অবধি ৩১ রানে অপরাজিত থেকে মসাকাদজাকে (২*) সাথে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে ২১৩ রানে পৌঁছে দেন তিনি।
বাংলাদেশের পক্ষে তরুণ পেসার নাহিদ রানা সবচেয়ে সফল বোলার, ৩টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। একটি করে উইকেট পেয়েছেন হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে স্পিনাররা ছিলেন অনুজ্জ্বল, যার ফলে পেসারদের ওপরই চাপ পড়েছে বেশি।
তৃতীয় সেশন শুরুর আগে জিম্বাবুয়ে এগিয়ে ২২ রানে। বাংলাদেশের লক্ষ্য এখন দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে লিড বড় হতে না দেওয়া। সেশনের শুরুতেই যদি একটি-দু’টি উইকেট পড়ে, তাহলে আবারও ম্যাচে ফিরতে পারে স্বাগতিকরা।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















