Dhaka 12:54 am, Monday, 29 June 2026

ভাঙ্গায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় শেখ রাজু ইসলাম (৩৬) নামের এক সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া এলাকার মাতৃকুঞ্জ নামের একটি আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাজু ইসলাম গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মউতলা গ্রামের নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।

তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। তাদের আরিসা (৬) ও আমেনা (৪) নামে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নামিয়ে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার জানান, দুপুরে কর্মস্থল থেকে বারবার ফোন করলেও বাসা থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ছোট মেয়ে ফোন ধরে অসংলগ্নভাবে কিছু বললে তিনি দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। এসে দেখেন তার স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ।

নিহতের যমজ ভাই শেখ আব্দুর রাজ্জাক জানান, পরিবারের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

ভাঙ্গায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশঃ 03:39:34 pm, Saturday, 25 April 2026

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় শেখ রাজু ইসলাম (৩৬) নামের এক সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া এলাকার মাতৃকুঞ্জ নামের একটি আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাজু ইসলাম গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মউতলা গ্রামের নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।

তার স্ত্রী হ্যাপি আক্তার ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত। তাদের আরিসা (৬) ও আমেনা (৪) নামে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নামিয়ে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার জানান, দুপুরে কর্মস্থল থেকে বারবার ফোন করলেও বাসা থেকে ফোন কেটে দেওয়া হয়। একপর্যায়ে ছোট মেয়ে ফোন ধরে অসংলগ্নভাবে কিছু বললে তিনি দ্রুত বাসায় ফিরে আসেন। এসে দেখেন তার স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ।

নিহতের যমজ ভাই শেখ আব্দুর রাজ্জাক জানান, পরিবারের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।’