Dhaka 11:33 pm, Sunday, 28 June 2026

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান

 

​ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে গত দেড় বছরে ৫টি কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে দস্যুদের ব্যবহৃত ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা এবং ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে।

দস্যু দমনের পাশাপাশি জেলে ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বাহিনীটি। গত দেড় বছরে ডাকাতদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে এবং ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও মোংলার বিশেষ দলগুলো সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালে নজরদারি বাড়িয়েছে। বিসিজিএস স্বাধীন বাংলার নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান জানান, ইতিমধ্যেই দস্যুদের বেশ কিছু গোপন আস্তানা শনাক্ত করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বনজীবী ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, আটক ১

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান

প্রকাশঃ 01:36:39 pm, Wednesday, 8 April 2026

 

​ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে গত দেড় বছরে ৫টি কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে দস্যুদের ব্যবহৃত ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা এবং ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে।

দস্যু দমনের পাশাপাশি জেলে ও পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বাহিনীটি। গত দেড় বছরে ডাকাতদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে এবং ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রা ও মোংলার বিশেষ দলগুলো সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী-খালে নজরদারি বাড়িয়েছে। বিসিজিএস স্বাধীন বাংলার নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট সাকিব ইমরান জানান, ইতিমধ্যেই দস্যুদের বেশ কিছু গোপন আস্তানা শনাক্ত করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বনজীবী ও সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে।