Dhaka 7:22 pm, Sunday, 28 June 2026

আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়ঃ ডা. শফিকুর রহমান

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষ মুক্ত হলে আমরাও মুক্ত হব।”

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামী বারই ফেব্রুয়ারি আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে, আর হ্যাঁ ভোট পরাজিত হলে বাংলাদেশ হেরে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “হ্যাঁ ভোট এ দেশের মানুষকে আজাদী এনে দেবে, গোলামির শৃঙ্খল ভেঙে দেবে।”

জামায়াত আমির বলেন, “দ্বিতীয় ভোট আমরা দেব দাঁড়িপাল্লায়। দাঁড়িপাল্লা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায়ের প্রতীক।” আগামী ১২ তারিখ ইনসাফ ও ন্যায়ের পক্ষে এবং আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সাতক্ষীরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিগত ১৭ বছরের শাসনামলের কঠোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এই সময়ে সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছে সাতক্ষীরার মানুষ। খুন ও গুমের ঘটনায় তারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আপনাদের ভোটে আমরা যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাই, তাহলে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব এবং সকল মত ও পথের মানুষের অংশগ্রহণে সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করব।”

এ সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষের কষ্ট লাঘবে সকল ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে।”

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় ট্রাকের পেছনে বাসের বেপরোয়া ধাক্কা, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা

আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়ঃ ডা. শফিকুর রহমান

প্রকাশঃ 09:29:24 am, Tuesday, 27 January 2026

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষ মুক্ত হলে আমরাও মুক্ত হব।”

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামী বারই ফেব্রুয়ারি আমাদের প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে, আর হ্যাঁ ভোট পরাজিত হলে বাংলাদেশ হেরে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “হ্যাঁ ভোট এ দেশের মানুষকে আজাদী এনে দেবে, গোলামির শৃঙ্খল ভেঙে দেবে।”

জামায়াত আমির বলেন, “দ্বিতীয় ভোট আমরা দেব দাঁড়িপাল্লায়। দাঁড়িপাল্লা হচ্ছে ইনসাফ ও ন্যায়ের প্রতীক।” আগামী ১২ তারিখ ইনসাফ ও ন্যায়ের পক্ষে এবং আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সাতক্ষীরাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিগত ১৭ বছরের শাসনামলের কঠোর সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “এই সময়ে সবচেয়ে বেশি নিপীড়নের শিকার হয়েছে সাতক্ষীরার মানুষ। খুন ও গুমের ঘটনায় তারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আপনাদের ভোটে আমরা যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাই, তাহলে ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করব এবং সকল মত ও পথের মানুষের অংশগ্রহণে সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করব।”

এ সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষের কষ্ট লাঘবে সকল ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে।”

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামি বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ছাত্র শিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জনসভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।