এম.আর ইংলিশ কেয়ার পাংশা-এর ফেসবুক পাবলিক গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১১ হাজার পূর্ণ হওয়া উপলক্ষ্যে কেক কেটে উদযাপন করা হয়।
এম.আর ইংলিশ কেয়ার পাংশা কেবলমাত্র একটি গতানুগতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না, এটি একটি উদ্যমী মানবিক সংগঠন, যা শিক্ষাদান এবং সমাজসেবা—উভয় ক্ষেত্রেই এক স্বতন্ত্র ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটির এই দ্বিমুখী ভূমিকা এটিকে স্থানীয় পরিসরে অত্যন্ত সুপরিচিত করে তুলেছে। এই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য হলো ইংরেজি শিক্ষাকে সকলের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং একই সাথে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ করা।
এই প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি এখন শুধু বাস্তব শ্রেণিকক্ষের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, তা প্রসারিত হয়েছে মানবিক কাজেও। এম.আর ইংলিশ কেয়ার পাংশা-এর ফেসবুক পাবলিক গ্রুপটি মানবিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। গ্রুপটি শিক্ষানুরাগী ও মানবিক হৃদয়ের হাজারো মানুষকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এখানে নিয়মিতভাবে শিক্ষামূলক আলোচনা, কুইজ এবং মানবিক উদ্যোগের বার্তাগুলি আদান-প্রদান করা হয়। এই সম্মিলিত প্রয়াসের ফলস্বরূপ সম্প্রতি এই ফেসবুক গ্রুপটি এক বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
এই বিশেষ অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং সকলের সাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে এম.আর ইংলিশ কেয়ার-এর একাংশরা এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং কেক কেটে উদযাপন করা হয় ১১ হাজার সদস্য পূর্তির এই মুহূর্তটি ।
এম.আর. ইংলিশ কেয়ার এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ মিজানুর রহমান মেহেদী বলেন, এই বিশাল পরিবারকে সাথে নিয়ে আমরা শিক্ষাবিস্তার এবং মানবিকতার সেবায় আরও বড় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবো । এই ১১ হাজার সদস্যের ভালোবাসা আমাদের আগামী পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগাবে, যা সকলকে সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণে আরও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করবে।
এম.আর. ইংলিশ কেয়ার এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ছাবিবুর হোসেন বলেন, আমাদের সংগঠনটি ফেসবুক গ্রুপে ১১ হাজার সদস্য পূর্ণ হয়েছে এটি সম্ভব হয়েছে সকলের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও নিষ্ঠার কারণে। আমাদের সংগঠন শুধু একটি নাম নয়, এটি একটি পরিবার , আমরা শিক্ষা, মানবতা ও সমাজসেবার মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে বিশ্বাসী। আমাদের এই পথচলা সহজ ছিল না, কিন্তু প্রতিটি সদস্যের আন্তরিকতা আমাদের শক্তি হয়ে উঠেছে। আমরা সকলের সমন্নয়ে এই পরিবারটিকে আরও শক্তিশালী, আরও মানবিক এবং আরও অনুপ্রেরণাদায়ক করে তুলতে চাই।
সংগঠনটির অধিকাংশরা মনে করেন, এই আয়োজনটি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে কাজ করার জন্য সংগঠনের সেচ্ছাসেবীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















