ভোলা জেলা প্রতিনিধি :
ভোলার বোরহানউদ্দিনে পাঁচ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাৎসব শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে।
বুধবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিজয়া দশমীর পূজা-অর্চনা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুর্গাপূজা।
দুর্গাৎসব চলাকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌথবাহিনী বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন থেকে শুরু করে চেকপোস্ট পরিচালনা সবখানেই তারা অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। যৌথবাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কনটিনজেন্ট কমান্ডার।
যৌথবাহিনীর বোরহানউদ্দিন ক্যাম্পের অফিসারগণ প্রতিদিন মণ্ডপসমূহ ঘুরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় কর্মকর্তারা পূজার ভক্ত ও উপস্থিত সনাতনী সম্প্রদায়ের মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন,আপনারা যেন খুশি ও আনন্দের সঙ্গে নির্ভয়ে পূজা উদযাপন করতে পারেন সে জন্য যৌথবাহিনী সবসময় আপনাদের পাশে রয়েছে।
উপজেলায় মোট ২০টি পূজামণ্ডপে এ বছর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ, আনসার এবং যৌথবাহিনী সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি যৌথবাহিনী ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে ডাইভিশন রোডে বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা করে।
এই অভিযানে ৫১৯টি গাড়ি আটক করা হয় এবং কাগজপত্রের অনিয়মের কারণে চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এসময় মোট ৬৮,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ট্রাফিক সার্জেন্ট সাইফুল্লাহ জানান,
যৌথবাহিনীর সহযোগিতায় আমরা কঠোরভাবে চেকপোস্ট পরিচালনা করেছি। পূজা উপলক্ষে সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে, সেজন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
যৌথবাহিনীর পক্ষে নৌবাহিনীর কনটিনজেন্ট কমান্ডার আরও জানান, পূজার পুরো সময়জুড়ে প্রতিদিন এ ধরনের নিরাপত্তা তৎপরতা অব্যাহত ছিল।
শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। তারা ভোলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার এবং নৌবাহিনীসহ যৌথবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বোরহানউদ্দিন পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি প্রভাষক লিটন চন্দ্র রক্ষিত বলেন দুর্গাপূজা কেবল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নয়, এটি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। যৌথবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় আমরা নির্বিঘ্নে উৎসব শেষ করতে পেরেছি।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















