ভোলা প্রতিনিধি :
ভোলার সাগরপাড়ে আবারও ঘটেছে দুঃখজনক এক ঘটনা। মাছ ধরতে গিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করায় ১৯ জন জেলেকে আটক করেছে ভারতের কোস্টাল থানার নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে পরিবারগুলোর। হঠাৎ করে একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।
এমন পরিস্থিতিতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু নোমান। আটক জেলেদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে খাদ্য সহায়তা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছেন জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যও।
স্থানীয়রা বলছেন, সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় জেলে পরিবারের খোঁজ নেওয়ার লোক খুব কম থাকে। কিন্তু নোমান চেয়ারম্যান এগিয়ে এসে প্রমাণ করেছেন, মানুষের জন্য মানুষের দায়িত্বই সবচেয়ে বড়। তাঁর এমন উদ্যোগে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে পরিবারগুলোর মনে।
আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, আটক জেলেদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাড়াতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় জেলেদের সচেতন করার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। কারণ বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটলে শুধু পরিবার নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় গোটা সমাজ।
মানবিক সহায়তা ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, দুই মিলিয়েই হয়তো ফিরে আসবে ভোলার সেই ১৯ জেলে। তবে প্রশ্ন রয়ে যায়, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে জেলেদের জীবনঝুঁকি ও বারবারের আটক হওয়া ঠেকানো যাবে কবে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















