Dhaka 8:07 pm, Sunday, 28 June 2026

ধানক্ষেতে পড়েছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ

শেরপুর সদর উপজেলার একটি ধানক্ষেত থেকে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে সদরের তাতালপুর বিএম রোডের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল লতিফ (৪৪)। সে বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমরী কাটাজান এলাকার মৃত আ. মালেকের ছেলে এবং পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শেরপুর সদরের তাতালপুর বিএম রোডের পাশে একটি ধানক্ষেতে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শেরপুর জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো থাকায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এছাড়াও তার সঙ্গে থাকা অটোরিকশাটি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যে বা যারাই হোক না কেন তাকে খুঁজে বের করা হবে।

ট্যাগ :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

সৎ মায়ের মুক্তির দাবিতে ৮ বছরের জেরিনের আকুতি, গলায় প্ল্যাকার্ড নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে

ধানক্ষেতে পড়েছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ

প্রকাশঃ 10:41:56 am, Monday, 21 April 2025
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ধানক্ষেত থেকে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে সদরের তাতালপুর বিএম রোডের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওই ব্যক্তির নাম আব্দুল লতিফ (৪৪)। সে বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমরী কাটাজান এলাকার মৃত আ. মালেকের ছেলে এবং পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে শেরপুর সদরের তাতালপুর বিএম রোডের পাশে একটি ধানক্ষেতে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানার পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শেরপুর জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো থাকায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এছাড়াও তার সঙ্গে থাকা অটোরিকশাটি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।

শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যে বা যারাই হোক না কেন তাকে খুঁজে বের করা হবে।