ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
ভোলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে একসময় যে অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল অনুন্নত, সেখানে এখন স্পষ্ট উন্নয়নের ছাপ। এই পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে যার নাম বারবার উঠে আসছে, তিনি হলেন সাবেক চেয়ারম্যান আবু নোমান।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। বিশেষ করে ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট নির্মাণ, মানুষের চলাচলের জন্য ব্রিজ-কালভার্ট তৈরি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা চোখে পড়ার মতো। স্থানীয়রা বলছেন, নোমান চেয়ারম্যানের হাত ধরে দিঘলদীর দিন বদলেছে।
সাবেক চেয়ারম্যান আবু নোমানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের তালিকা বেশ দীর্ঘ। তিনি শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণ করেই ক্ষান্ত হননি, বেড়িবাঁধের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্মাণ করে দিয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ সব ব্রিজ। এতে করে ওই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হয়েছে, কমেছে সময়ের অপচয়। এছাড়াও, স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতিতে তিনি দেখিয়েছেন বিশেষ আগ্রহ। নিয়মাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ নির্মাণ করেছেন তিনি নিজস্ব অর্থায়নে, যা তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ করে দিয়েছে।
এই উন্নয়ন কাজগুলো ভোটের আগে বা পরে নয়, বরং যখনই প্রয়োজন হয়েছে তখনই তিনি এগিয়ে এসেছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বললে তাদের মুখে আবু নোমানের প্রশংসা শোনা যায়। তারা স্পষ্ট জানান, আবু নোমান চেয়ারম্যান দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে অনেক উন্নয়ন করেছেন। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শুধু এখন না ৫ই আগস্টের আগেও তিনি এই ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোয়া লাগিয়ে দিয়েছেন। এই কথাগুলোই প্রমাণ করে তার উন্নয়ন জনকল্যাণমুখী এবং তা কোনো বিশেষ সময় বা রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে থেমে থাকেনি।
শুধু তাই নয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক শান্তি বজায় রাখতেও আবু নোমান চেয়ারম্যানের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। স্থানীয়রা জানান, তিনি ইউনিয়নের নানা বিবাদ ও সমস্যার শালিস-বিচারও করতেন দক্ষতার সাথে। তার শালিসের প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ ও জনস্বার্থের পক্ষে। এতে করে সাধারণ মানুষ যেমন দ্রুত ন্যায়বিচার পেয়েছে, তেমনি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলাও বজায় ছিল। অর্থাৎ, নোমান চেয়ারম্যান শুধু উন্নয়নের ফোকাসেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, তিনি সমাজের একজন অভিভাবক হিসেবেও নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সব মিলিয়ে, ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন এখন আবু নোমানের উন্নয়ন ভাবনার প্রতিচ্ছবি। রাস্তাঘাট, ব্রিজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো মৌলিক ক্ষেত্রে তার বিনিয়োগ এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানকে অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছে। স্থানীয়দের এই সন্তুষ্টি প্রমাণ করে, একজন জনপ্রতিনিধি যদি আন্তরিকভাবে কাজ করেন, তবে সামান্য প্রচেষ্টাতেও এলাকার আমূল পরিবর্তন সম্ভব।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















