ভোলা জেলা প্রতিনিধি:
সারাদেশে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা ও সামাজিক উত্তেজনার মাঝেই ভোলা জেলায় ভাইরাল হয়েছে এক ভিডিও, যেখানে শিকল দিয়ে বেঁধে এক যুবককে মারধর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিও নিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনা ও সমালোচনা। তবে ঘটনায় ব্যবসায়ী হাসান ঘটনার সত্যিকারের প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ভাইরাল ভিডিওটি মূলত দুই বছর আগের। যে যুবককে মারধর করা হয়েছে, তিনি স্থানীয় চোর চক্রের একজন সদস্য। দুই বছর আগে তানভীর নামে এই যুবককে এলাকাবাসী আটক করলে ব্যবসায়ী এবং বিএনপি নেতা হাসান তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও সত্যটা বের করতে মারধর করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, চোর চক্রের আসল পরিকল্পনা প্রকাশ করা। হাসান পরে ওই ঘটনার ভিডিও নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছিলেন।
ঘটনায় বিএনপি নেতা হাসান গণমাধমকে জানান, তার পরিবারও চুরি ও ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন তার বড় বোনের বাসা, এলাকার মসজিদ, প্রায় সব জায়গায় চুরি হয়েছে। স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিলেন। তখন সেখানে গিয়ে তানভীরকে জিজ্ঞাসা করেছি, কিন্তু সে সত্যটা বলছিল না। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে স্বীকার করিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “ভিডিওটি দুই বছর আগে পোস্ট করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয় চোর চক্রের সদস্য তানভীরের বাড়িতে গেলে তাকে এবং তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানান তানভীর চুরির ছিনতাইর সাথে জরিত আছেন।কয়েকদিন পর পর তার বাড়িতে অনেক অভিযোগ আসে এ জন্য তানভীরের মা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। তানভীরের বাবা তাকে অনেক ভালো করতে চেয়েছেন কিন্তু পারেনি।
বিএনপি নেতা এবং ব্যবসায়ী হাসানের বক্তব্য অনুযায়ী উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং চোর চক্রের অপরাধ ফাঁস করা। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কারণে স্থানীয় এবং অনলাইন সমাজে তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
দেশের তথ্য ডেস্ক 



















