দেশের তথ্য ডেস্ক খুলনা প্রতিনিধি :-
ভিকটিম মোঃ আলমগীর হোসেন, সাং- সিকারপুর, থানা- শার্শা, জেলা- যশোর একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ভিকটিম ও নুরু খাঁ একত্রে ব্যবসা করতেন। গত ইং ১১/১২/২০০৩ তারিখে ভিকটিম মোঃ আলমগীর হোসেন এর বাসায় নুরু খাঁ এসে ব্যবসার কাজে যশোর যেতে হবে বলে জানায়। ভিকটিম তখন বাড়িতে গচ্ছিত রাখা ৭৫,০০০/- টাকা নিয়ে নুরু খাঁর সাথে রওনা হয়। পরবর্তীতে ভিকটিম বাড়িতে ফিরে না আসলে ভিকটিমের স্ত্রী নুরু খাঁর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ভিকটিমের স্ত্রী আলমগীর হোসেনকে খুজে না পেয়ে নুর খাঁ ও তার সহযোগী ব্যবসায়ীদের নাম উল্লেখ করে যশোরের শার্শা থানায় ইং ১৭/১২/২০০৩ তারিখে খুন অথবা গুম করার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে উক্ত ঘটনার পরপরই নুরু খাঁ আত্মগোপনে চলে যান। আসামী নুরু খাঁ পলাতক থাকা অবস্থায় উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত ইং ২৫/০৭/২০২৩ তারিখ আসামী নুরু খাঁ (৭২) কে যাবজ্জীবন সাজা সহ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ০৬ (ছয়) মাসের সশ্রম কারাদন্ডের সাজা প্রদান করেন। আসামী আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। পরবর্তীতে র্যাব-৬, যশোর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উক্ত আসামীর অবস্থান নিশ্চিত করে।
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০৬ আগস্ট ২০২৩ তারিখ দুপুরে র্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা জেলার খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা ২নং কলোনিতে অভিযান পরিচালনা করে নুরু খাঁ (৭২), থানা-মনিরামপুর, জেলা- যশোর’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে যশোর জেলার মনিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।